ছবি: সংগৃহীত
ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গায় মধুমতি নদীর ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে বুড়াইচ ইউনিয়নের চরখোলাবাড়িয়া ও গোপালপুর ইউনিয়নের দিগনগর গ্রামের শত শত পরিবার। গত ২০ জুলাই থেকে শুরু হওয়া ভাঙন অক্টোবরের দ্বিতীয় সপ্তাহেও অব্যাহত রয়েছে। এরই মধ্যে দুই গ্রামে অন্তত ১১০টি বসতভিটা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
ভাঙন রোধে স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণের দাবিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন এলাকাবাসী। আয়োজন করেছেন মানববন্ধনও। তবে তাঁদের অভিযোগ, গত তিন মাসেও ভাঙন প্রতিরোধে কার্যকর কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সম্প্রতি চরখোলাবাড়িয়া ও দিগনগর গ্রাম ঘুরে এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চরখোলাবাড়িয়া গ্রামের প্রায় ৩০০ পরিবার নদীভাঙনের আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে। অন্যদিকে দিগনগর গ্রামের ২০০ থেকে ২২০টি পরিবার রয়েছে একই শঙ্কায়।
চলতি বছর চরখোলাবাড়িয়া গ্রামে খোকন মিয়া, হান্নান মিয়া, রোকন মিয়াসহ প্রায় ৬০টি পরিবারের বসতবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। দিগনগর গ্রামেও শরিফুল, শফিকুল, বালাম, কামাল, হান্নানসহ স্থানীয় বাসিন্দাদের প্রায় ৫০টি বসতভিটা হারিয়ে গেছে।
ভাঙন অব্যাহত থাকায় চরখোলাবাড়িয়া গ্রামের গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও স্থাপনাগুলোও ঝুঁকিতে পড়েছে। স্থানীয় বাসিন্দা মোহাম্মদ আল আমিন মিয়া জানান, মধুমতি নদী ভাঙতে ভাঙতে এনবিডিসি আলহেরা দাখিল মাদ্রাসা, একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, সাব পোস্ট অফিস ও একটি এতিমখানার প্রায় ১০০ গজের মধ্যে চলে এসেছে। এ ছাড়া মিয়াপাড়া জামে মসজিদটিও ভাঙনের হুমকিতে রয়েছে। মসজিদ থেকে নদীর দূরত্ব এখন প্রায় ১৫০ গজ।
চরখোলাবাড়িয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আলমগীর হোসেন জানান, ১৯৯৪ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টিতে বর্তমানে চারজন শিক্ষক ও ৭৫ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। বিদ্যালয়টিতে একটি সেমিপাকা ভবন, সীমানাপ্রাচীর ও ওয়াশ ব্লক রয়েছে। নদীভাঙন এগিয়ে এসে এখন বিদ্যালয়ের সীমানা থেকে প্রায় ২০০ গজের মধ্যে পৌঁছেছে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের আশঙ্কা, দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আরও বসতবাড়ি, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা নদীগর্ভে বিলীন হতে পারে। তাই ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত স্থায়ী নদীতীর সংরক্ষণকাজ শুরু করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News