ছবি: সংগৃহীত
ভোলার লালমোহন ও চরফ্যাশনে মা ইলিশ রক্ষায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে নদীতে মাছ ধরার অভিযোগে ১১ জেলেকে আটক করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে লালমোহনে এক জেলেকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। অন্যদিকে চরফ্যাশনে আটক ১০ জেলেকে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
সোমবার (১২ অক্টোবর) তেঁতুলিয়া ও মেঘনা নদীতে পৃথক যৌথ অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ জানান, মা ইলিশ রক্ষায় তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রমে অভিযান চালানোর সময় মাছ ধরার অভিযোগে মো. হানিফ (২২) নামের এক জেলেকে আটক করা হয়। পরে লালমোহন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. রেজওয়ানুল হকের পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ আদালত তাঁকে ১৪ দিনের কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত হানিফ পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার চন্দ্রদ্বীপ ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। অভিযানে তাঁর কাছ থেকে দুই হাজার মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল ও ১০ কেজি বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জব্দ করা হয়। পরে জাল পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয় এবং মাছ স্থানীয় এতিমখানা ও মাদরাসায় বিতরণ করা হয়।
অন্যদিকে চরফ্যাশন উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় মেঘনা নদীতে যৌথ অভিযান চালিয়ে ১০ জেলেকে আটক করা হয়। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালত প্রত্যেককে তিন হাজার টাকা করে মোট ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। এরপর তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়। আটক জেলেদের বাড়ি চরফ্যাশন উপজেলার বিভিন্ন এলাকায়।
জেলা মৎস্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, মা ইলিশ রক্ষায় ৮ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষ হবে ২৯ অক্টোবর। এ সময় ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চরপিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চররুস্তম পর্যন্ত ১০০ কিলোমিটার এলাকায় মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর রয়েছে।
নিষেধাজ্ঞা চলাকালে ইলিশের অভয়াশ্রমে মাছ ধরা, ক্রয়-বিক্রয়, মজুত ও পরিবহন দণ্ডনীয় অপরাধ। মা ইলিশের নিরাপদ প্রজনন নিশ্চিত করতে এ সময়ে সরকারি নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News