ছবি সংগ্রহীত
ক্লিওপেট্রা থেকে নেফেরতিতি, মিশরের বিখ্যাত রানিরা নিজেদের সৌন্দর্যে ইতিহাস গড়েছিলেন। রূপ, বুদ্ধিমত্তা ও ব্যক্তিত্বের মেলবন্ধনে তারা সমগ্র পৃথিবীকে আকর্ষণ করেছিলেন। তবে তাদের সৌন্দর্যের রহস্য ছিল শুধুমাত্র বাহ্যিক নয়, এটি ছিল তাদের প্রতিদিনের রূপচর্চার অনন্য পদ্ধতিতে। প্রাচীন মিশরে সৌন্দর্য চর্চায় ব্যবহৃত কিছু ঘরোয়া উপকরণ আজও বিস্ময়কর।
মেকআপের চমক
মিশরের রানিরা সৌন্দর্য চর্চার জন্য প্রাকৃতিক উপাদান ব্যবহার করতেন। চোখের কাজল, আইলাইনার, লিপস্টিক ও রুজের মতো মেকআপের উপকরণ তৈরিতে তারা ব্যবহার করতেন 'ওকর' নামে এক প্রকার রঞ্জক মাটি এবং পশুর চর্বি বা উদ্ভিদের তেল। ক্লিওপেট্রার জন্য তো শোনা যায়, গুবরে পোকা দিয়ে লাল রঙের লিপস্টিক তৈরি করা হতো!
ত্বকের যত্নের প্রাকৃতিক উপাদান
তারা ত্বকের যত্নে দুধ, মধু, ফুল ও মশলা মিশ্রিত তেল ব্যবহার করতেন। বিশেষ করে, ক্লিওপেট্রা দুধে স্নান করতেন, যেখানে ল্যাভেন্ডার, মধু এবং গোলাপের পাপড়ি মেশানো হতো। এই বিলাসবহুল স্নান ত্বকের আর্দ্রতা বজায় রাখত এবং বার্ধক্য রোধে সাহায্য করত।
চুলের পরিচর্যায় প্রাকৃতিক তেল
চুলের সুস্থতা বজায় রাখতে অলিভ অয়েল, ক্যাস্টর অয়েল, সজনে পাতা, তিলের বীজ দিয়ে তেল তৈরি করে ব্যবহার করতেন তারা। এছাড়া হেনা পাতার ব্যবহারও ছিল ব্যাপক।
ফেসমাস্ক ও গোলাপজলের ব্যবহার
মুখের ঔজ্জ্বল্য ধরে রাখতে তারা ডিম দিয়ে তৈরি ফেসমাস্ক ব্যবহার করতেন। গোলাপজলও তাদের রূপচর্চার অংশ ছিল, যা আজও মিশরের নারীদের মধ্যে জনপ্রিয়।
সুগন্ধির গুরুত্ব
প্রাচীন মিশরে সুগন্ধি ছিল শুধু সৌন্দর্য নয়, এটি যৌনতারও অংশ ছিল। সুগন্ধি এবং শরীরে মাখার তেল তাদের সৌন্দর্য চর্চার একটি অমূল্য উপকরণ ছিল।
লোম অপসারণের প্রাকৃতিক পদ্ধতি
মিশরীয়রা মধু এবং চিনির মিশ্রণ দিয়ে ওয়াক্সিং করতেন, যা গরম মোমের চেয়ে অনেক বেশি সুরক্ষিত এবং কম ব্যথাযুক্ত ছিল।
এই প্রাকৃতিক উপকরণ ও সৌন্দর্য চর্চার রীতি আজও প্রাচীন মিশরের রানিদের সৌন্দর্যের রহস্য হিসেবে আলোচিত।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: searchbdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: ads@searchbdnews.com
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News