ছবি সংগ্রহীত
পবিত্র রমজান মাস রহমত, বরকত ও মাগফিরাতের মাস। এই মাসে রোজা ফরজ করা হয়েছে, যা ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের অন্যতম। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেছেন, "তোমাদের কেউ এ মাস পেলে যেন সে রোজা রাখে।" (সুরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৫)
তবে রোজার পাশাপাশি সুদ-ঘুষ থেকে বিরত থাকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসলাম স্পষ্টভাবে সুদ ও ঘুষকে হারাম ঘোষণা করেছে।
সুদের ক্ষতি ও ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি:
১. সুদ স্পষ্টভাবে হারাম: কোরআনে বলা হয়েছে, “আল্লাহ তায়ালা বেচা-কেনাকে করেছেন হালাল এবং সুদকে করেছেন হারাম।” (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২৭৫)
২. সুদের উপর অটল থাকার পরিণাম ভয়াবহ: যারা সুদ খায়, তাদের বিরুদ্ধে আল্লাহ ও তাঁর রাসুল যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন। (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২৭৮-২৭৯)
৩. সুদের আয়ের বরকত নষ্ট হয়: “আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন এবং দানকে বর্ধিত করেন।” (সুরা: বাকারা, আয়াত: ২৭৬)
৪. সুদের অভিশাপ: নবীজি (সা.) সুদখোর ও সুদদাতার ওপর অভিশাপ দিয়েছেন। (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ১৫৯৭)
ঘুষের ক্ষতিকর দিক:
১. ঘুষ হারাম ও অবৈধ: কোরআনে বলা হয়েছে, "তারা মিথ্যা কথা শ্রবণ করে, হারাম ভক্ষণ করে।" (সুরা: মায়েদা, আয়াত: ৪২)
অন্যায়ভাবে সম্পদ দখল: “তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না।” (সুরা: বাকারা, আয়াত: ১৮৮)
৩. অভিশপ্ত ঘুষখোর: রাসুল (সা.) ঘুষদাতা, গ্রহীতা ও মধ্যস্থতাকারীর ওপর অভিশাপ দিয়েছেন। (আত-তারগিব ওয়াত-তারহিব: ৩/১৯৫)
সুদের ও ঘুষের সামাজিক বিপর্যয়:
১. অপব্যয় বৃদ্ধি পায়
২. চারিত্রিক অধঃপতন ঘটে
৩. সমাজে অন্যায় ও শোষণ বৃদ্ধি পায়
৪. ধনী-গরিব বৈষম্য তীব্র হয়
রমজানের এই পবিত্র মাসে আমাদের শুধু রোজা রাখাই নয়, বরং সুদ-ঘুষসহ সকল হারাম কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ আমাদের হালাল পথে চলার তৌফিক দান করুন। আমিন।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: searchbdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: ads@searchbdnews.com
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News