রোজা ভঙ্গের কারণ ও তার প্রতিবিধানঃ ছবি সংগ্রহীত
রমজান মাসে রোজা পালন করাটা মুসলিমদের জন্য একটি মহান ইবাদত। তবে, কিছু নির্দিষ্ট কারণ রয়েছে, যেগুলোর মাধ্যমে রোজা ভঙ্গ হতে পারে। শরিয়ত অনুমোদিত কারণ ছাড়া রোজা ভঙ্গ করলে তা কবিরা গুনাহ হিসেবে গণ্য হয় এবং এর কোনো ক্ষতিপূরণও হতে পারে না।
হাদিসের মাধ্যমে প্রমাণিত যে, রোজা ভেঙে ফেললে তার ক্ষতিপূরণ করা কঠিন, এমনকি জীবনভর রোজা রাখলেও সে ক্ষতি পূর্ণ হবে না। পবিত্র কোরআনেও রোজা ভঙ্গের সীমাবদ্ধতা উল্লেখ করা হয়েছে—যেমন, খাবার খাওয়া, পানীয় পান করা, এবং স্ত্রী-সম্ভোগ করা। আরেকটি বিষয় হল, নারীদের মাসিক বা সন্তান প্রসবের পর রোজা ভেঙে যায়।
রোজা ভঙ্গের প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
ইচ্ছাকৃতভাবে খাবার বা পানীয় গ্রহণ, স্ত্রী-সম্ভোগ, বমি করা, গ্লুকোজ বা সেলাইন ইনজেকশন নেয়া, ভুলবশত খাবার খাওয়া ইত্যাদি। এসব কারণে রোজা ভেঙে গেলে তার কাজা ও কাফফারা আদায় করতে হয়। তবে, যদি রোজা ভেঙে যাওয়ার কারণ হয় স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস, তবে কাফফারা শুধু সেই সময়ের জন্য প্রযোজ্য হবে।
এছাড়া কিছু বিষয়ও রয়েছে, যেগুলোর কারণে রোজা মাকরুহ হতে পারে, যেমন—বিনা কারণে মুখে কিছু দেয়া, দাঁত পরিষ্কার করা, গিবত বা মিথ্যা বলা ইত্যাদি।
রোজা ভেঙে গেলে সাধারণত কাজা ও কাফফারা পালন করা আবশ্যক। কাফফারা আদায়ের জন্য দাস মুক্ত করার মতো কোনো সুযোগ না থাকলে, ৬০ দিনের রোজা রাখা বা ৬০ জন মিসকিনকে খাদ্য প্রদান করা হয়।
এভাবে ইসলামের দৃষ্টিতে, রোজা ভাঙার কারণ ও তার শাস্তির বিধান খুবই স্পষ্ট। সুতরাং, প্রত্যেক মুসলমানকে রোজা পালনকালে এ সব বিষয় সতর্কতার সঙ্গে মনে রাখতে হবে।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: searchbdnews@gmail.com
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: ads@searchbdnews.com
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News