ছবি সংগৃহীত
সিনিয়র সাংবাদিক আনিস আলমগীর বলেছেন, বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ক্ষুণ্ণ করার যে চরম উদাহরণ হতে পারে, সেটাই করেছেন ড. ইউনূস। এই মন্তব্য তিনি বেসরকারি সংবাদমাধ্যম নিউজ ২৪-এর নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘জনতন্ত্র গণতন্ত্র’-এ করেছেন।
আনিস আলমগীর বলেন, “বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, বিশেষ করে নিম্ন আদালতের স্বাধীনতা, বহু বছর ধরে সরকারের হাতে রয়ে গেছে। স্বাধীনতার পর থেকেও তারা নিজেদের মতো কিছু করতে পারে না। বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে তারা সরকারের ইশারায় পরিচালিত হয়।”
তিনি আরও বলেন, “ভুয়া মামলায় বিচার বিভাগ যখন কোনো আসামিকে জামিন দিচ্ছে, তখন কিছু বাটপাড় আবার প্রশ্ন তুলছে, ‘কি করে জামিন দেন এদেরকে?’। এ ধরনের দ্বিচারিতা চলতে পারে না।”
আলমগীর নিজের প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “দুদককে শক্তিশালী করতে চাইলে আপনি আমাকে গ্রেপ্তার করে দুদকের মামলায় জড়াচ্ছেন। একাধিক ভুয়া মামলায় আমাকে সন্ত্রাসী হিসেবে আনা হয়েছে, আবার একই সময়ে অন্য মামলায় দুদকের মামলাও দেওয়া হয়েছে।”
রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার ভারসাম্য নিয়ে তিনি বলেন, “ড. ইউনূস নিজে রাষ্ট্রপতিকে সম্মান করেননি, তারপর রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর ভারসাম্যের কথা বলছেন। প্রধানমন্ত্রীর পদে থাকাকালীন তিনি ১৪ বার বিদেশ সফর করেছেন, কিন্তু রাষ্ট্রপতির সঙ্গে একবারও দেখা করেননি।”
আনিস আলমগীর তীব্র সমালোচনায় উল্লেখ করেন, “ড. ইউনূস নিজে যেসব বাটপাড়ি করেছেন, সেই বাটপাড়িটা স্বীকার করেন না। গণতন্ত্র ও সংস্কারের শিক্ষা দেওয়ার আগ্রহ দেখান, অথচ মানুষ যখন রাস্তায় নেমে আসে, তখন তিনি সেখানে উপস্থিত হন না। তিনি চাইলে এসএসএফ ছাড়া রাজপথে দাঁড়ান এবং এনসিপির দাবির সঙ্গে সংহতি দেখান।”
আনিস আলমগীরের এই মন্তব্য পুনরায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে এনেছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা, সরকারের প্রভাব, এবং রাজনৈতিক নেতৃত্বের ভূমিকা।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News