ছবি: সংগৃহীত
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার ডহরশংকর গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে রয়েছে একটি প্রাচীন মসজিদ। স্থানীয়দের দাবি, প্রায় পাঁচ শতাব্দীরও বেশি সময় ধরে দাঁড়িয়ে থাকা এই মসজিদ ঘিরে রয়েছে নানা ইতিহাস, লোককথা ও ধর্মীয় বিশ্বাস।
দীর্ঘদিন ধরে সাত পুরুষের ঐতিহ্য হিসেবে সংরক্ষিত হয়ে আসা মসজিদটির সুনির্দিষ্ট নির্মাণকাল বা প্রতিষ্ঠাতার বিষয়ে এখনো নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তবে নির্মাণশৈলী দেখে স্থানীয়দের কেউ কেউ এটিকে মোগল আমলের স্থাপনা বলে মনে করেন।
জনশ্রুতি রয়েছে, শেখ ফরিদের বংশধর শেখ সোনাউল্লাহ ছিলেন হাওলাদার বাড়ির মূল প্রতিষ্ঠাতা। মসজিদের পেছনে রয়েছে তাঁর মাজার। প্রাচীন স্থাপত্যের বিভিন্ন নিদর্শন নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা মসজিদটি স্থানীয়দের কাছে দীর্ঘদিন ধরে ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক গুরুত্ব বহন করে আসছে।
মসজিদটির পাশাপাশি আশপাশের দুটি পুকুর ঘিরেও প্রচলিত রয়েছে নানা লোককথা। স্থানীয়দের কেউ কেউ বিশ্বাস করেন, এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয়। এ বিশ্বাসের কারণে দূর-দূরান্ত থেকেও অনেকে মসজিদ ও মাজার এলাকায় আসেন। তবে এসব লোকবিশ্বাসের ঐতিহাসিক বা বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নিশ্চিত নয়।
সময় পেরিয়ে যাওয়ায় বর্তমানে মসজিদটির অবকাঠামো অনেকটাই জীর্ণ হয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের আশঙ্কা, যথাযথভাবে সংরক্ষণ করা না হলে হারিয়ে যেতে পারে প্রাচীন এ স্থাপনার গুরুত্বপূর্ণ স্থাপত্য ও ঐতিহ্য।
এ কারণে মসজিদটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বের আওতায় এনে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয় প্রশাসন জানিয়েছে, মসজিদটি পরিদর্শনের পর এর ঐতিহাসিক গুরুত্ব যাচাই করে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও সংরক্ষণের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
ইতিহাসের সঠিক তথ্য অনুসন্ধান ও সংরক্ষণের মাধ্যমে প্রাচীন এই স্থাপনাটি ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য টিকিয়ে রাখার দাবি স্থানীয়দের।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News