ছবি সংগৃহীত
হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপের মধ্যেই ভারত, চীন, ইরাক ও কাতারকে বিশেষ ছাড় দিয়েছে ইরান। তবে এই ছাড়ের পেছনে রয়েছে তেহরানের অর্থনৈতিক ও কূটনৈতিক স্বার্থ। সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কয়েকটি শর্তও জুড়ে দিয়েছে দেশটি।
ইরানের পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা ও পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক কমিটির উপপ্রধান আমির হায়াত মোঘাদ্দাম জানিয়েছেন, ভারত থেকে ওষুধ এবং চীনের কাছ থেকে রাজনৈতিক সমর্থন পাওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে তেহরানের। পাশাপাশি ভারত ও চীনের জাহাজ থেকে ট্রানজিট ফি আদায় করবে ইরান। অন্যদিকে, কাতারের জাহাজ বিনা শুল্কে হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলের সুযোগ পাবে।
নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক এবং লিবিয়ায় অস্ট্রিয়ার সাবেক প্রতিরক্ষা অ্যাটাশে উলফগ্যাং পুস্তাই এ সিদ্ধান্তকে ইরানের কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরাকে তিনি বলেন, এই উদ্যোগ সফল হলে ইরানের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ রাজস্ব আয় হতে পারে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীন ইরানের অপরিশোধিত তেলের সবচেয়ে বড় ক্রেতা। দেশটির মোট তেল রপ্তানির প্রায় ৯০ শতাংশই চীনে যায়। ফলে চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক বজায় রাখা ইরানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
এ ছাড়া ভারত ও কাতারকে ছাড় দেওয়ার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের কৌশলগত অবস্থান দুর্বল করার চেষ্টা করছে তেহরান। বিশেষ করে কাতারের জাহাজকে বিনা ট্রানজিট ফিতে চলাচলের সুযোগ দেওয়াকে গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে দেখছেন বিশ্লেষকরা।
তবে ইরানের এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের অবরোধনীতির সঙ্গে সাংঘর্ষিক হতে পারে। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ইরানের বন্দর থেকে আসা-যাওয়া করা সব দেশের জাহাজ অবরোধের আওতায় থাকবে। তবে ইরানের বন্দরের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়, এমন জাহাজ চলাচলে বাধা দেওয়া হবে না।
এদিকে, বাকি দেশগুলো কবে নাগাদ হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের সুযোগ পাবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো ঘোষণা দেয়নি তেহরান।
পশ্চিম যাত্রাবাড়ী, মদিনা মেডিকেল, ০৯ তালা।
সম্পাদক ও প্রকাশক
হুমায়ুন কবির সাগর
পরিচালক
মাহবুব আলম সৈকত
নিউজ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
বিজ্ঞাপণ
ফোনঃ +৮৮ ০১৭৭৫২১১১১৭
Email: [email protected]
©২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত || Serach BD News